যে বাসায় উঠতে পারেন মো. সাহাবুদ্দিন
যে বাসায় উঠতে পারেন মো. সাহাবুদ্দিন
শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকালে গুলশানের ১২৩ নম্বর রোডের ‘গ্রিন ভিলা’ নামে বাসায় টেলিফোনের সংযোগ দিতে আসেন বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্সের কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) দুইজন কর্মচারী।


সাবেক রাষ্ট্রপতি অবসরভাতা না নিয়ে মারা গেলে তিনি আনুতোষিক পাওয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছেন বলে ধরা হয়।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। আওয়ামী লীগের মনোনয়নে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন।

অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। শুক্রবার (২৪ জুলাই) সংসদ সচিবালয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি। জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন। ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকালে গুলশানের ১২৩ নম্বর রোডের ‘গ্রিন ভিলা’ নামে বাসায় টেলিফোনের সংযোগ দিতে আসেন বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্সের কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) দুইজন কর্মচারী।

রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ সময় দিলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করবেন কিনা, সে বিষয়ে আমি কিছু জানি না। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে সাময়িকভাবে স্পিকার দায়িত্বপালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে নানামুখী আলোচনা। এ পরিস্থিতিতে পদত্যাগের বিষয়টিকে বিব্রতকর বলে আখ্যা দিয়েছেন খোদ রাষ্ট্রপতিই।

শারীরিক অসুস্থতার কারণে আগামী শনি বা রবিবার পদত্যাগ করবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এমন পরিস্থিতিতে কে হচ্ছেন বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে তুমুল চলছে আলোচনা।
